মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০২২

রাজনৈতিক দল এবং চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী



প্রশ্ন : রাজনৈতিক দল কাকে বলে ? 

উত্তর : রাজনৈতিক দল হল কতকগুলি নির্দিষ্ট নীতির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে গঠিত সম্মিলিত জনসমষ্টি । 

প্রশ্ন : রাজনৈতিক দলের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর । 

উত্তর : রাজনৈতিক দলের উল্লেখযােগ্য দুটি বৈশিষ্ট্য হল – ( ক ) প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নির্দিষ্ট নীতি ও কর্মসূচি থাকে । ( খ ) প্রতিটি রাজনৈতিক দলের লক্ষ্য নির্বাচনে জয়ী হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করা । 


প্রশ্ন : রাজনৈতিক দলের দুটি কাজ উল্লেখ কর ?

উত্তর : রাজনৈতিক দলের প্রধান দুটি কাজ হল – ( ক ) জনমত গঠন করা ( খ ) নীতি নির্ধারণ করা ।


প্রশ্ন : মার্কসবাদ অনুসারে রাজনৈতিক দল কী ? 

উত্তর : মার্কসবাদ অনুসারে রাজনৈতিক দল হল বিভিন্ন শ্রেণীর স্বার্থ রক্ষার জন্য সংগঠিত শক্তি ।

প্রশ্ন : রাজনৈতিক দলকে ‘আদর্শের দালাল’ কে বলেছেন ? 

উত্তর : রাজনৈতিক দলকে ‘আদর্শের দালাল ’ বলেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী লাওয়েল । 


প্রশ্ন : রাজনৈতিক দলের দুটি গুণাবলী উল্লেখ কর । 

উত্তর : রাজনৈতিক দলের দুটি গুণাবলী হল – ( ক ) সমস্যা সমাধানের পথনির্দেশিকা দান এবং ( খ ) রাজনৈতিক চেতনার সম্প্রসারণ । 


প্রশ্ন : রাজনৈতিক দলের দুটি অসুবিধা উল্লেখ কর । 

উত্তর : রাজনৈতিক দলের দুটি অসুবিধা হল – ( ক ) দলীয় স্বার্থের প্রাধান্য এবং ( খ ) প্রকৃত জনমত প্রকাশ পায় না । 

প্রশ্ন : সংখ্যার ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলব্যবস্থাকে কয়টি শ্রেণীতে বিভাজন করা যায় এবং কী কী ? 

উত্তর : সংখ্যার ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলব্যবস্থাকে তিন ধরনের শ্রেণীতে বিভাজিত করা যায় । যেমন - ( ক ) একদলীয় ব্যবস্থা ( খ ) দ্বিদলীয় ব্যবস্থা এবং ( গ ) বহুদলীয় ব্যবস্থা । 


প্রশ্ন : একদলীয় ব্যবস্থা বলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : যদি কোন দেশে মাত্র একটি রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব স্বীকৃত হয় তবে তাকেই একদলীয় ব্যবস্থা বলে চিহ্নিত করা হয় । 


প্রশ্ন : দ্বি-দলীয় ব্যবস্থাবলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : কোন দেশে যদি দুটি প্রধান ও সমকক্ষ রাজনৈতিক দল থাকে তখন তাকে দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা বলে ।



প্রশ্ন : বহু দলব্যবস্থা বলতে কী বােঝাে ? 

উত্তর : যে দেশে দুইয়ের অধিক রাজনৈতিক দল থাকে তাকে বহু-দলব্যবস্থা বলে । যেমন ফ্রান্সে বহু-দলব্যবস্থা দেখা যায় । কারণ সেখানে প্রায় ১৫টি দল প্রায় সমান ক্ষমতাসম্পন্ন । 

প্রশ্ন : বহু - দল শাসন ব্যবস্থায় কী ধরণের সরকার দেখা যায় ? 

উত্তর : বহু দল শাসনব্যবস্থায় অনেকগুলি সমক্ষমতাসম্পন্ন রাজনৈতিক দল থাকায় কোন দল নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করতে পারে না । সাধারণভাবে এখানে একাধিক দলের সম্মিলিত সরকার গঠিত হয়ে থাকে । 

প্রশ্ন : বহু দলীয় ব্যবস্থা কয়প্রকারের ও কী কী ? 

উত্তর : অ্যালমণ্ড ,অ্যালান বল প্রমুখ তাত্ত্বিকেরা বহুদল ব্যবস্থাকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে । যেমন –

ক ) কার্যকরী বহু দলীয় ব্যবস্থা । 

খ ) অস্থায়ী বহুদলীয় ব্যবস্থা । 

গ ) প্রভুত্বকারী দলীয় ব্যবস্থা । 



প্রশ্ন : কার্যকরী বহু দলীয় ব্যবস্থা বলতে কী বােঝাে ? 

উত্তর : কার্যকরী বহু দলীয় ব্যবস্থায় দুইয়ের অধিক বহু রাজনৈতিক দল থাকে কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় বহু দল থাকা সত্ত্বেও দুটি দল মূলত সরকার গঠন ও পরিচালনা করে । এইরূপ দল ব্যবস্থাকে কার্যকরী বহু দলীয় ব্যবস্থা বলে ।

প্রশ্ন : রাজনৈতিক দল ও স্বার্থগােষ্ঠীর মধ্যে পার্থক্য কী ? 

উত্তর : রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য হল রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করা আর স্বার্থগােষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারের নীতিকে গােষ্ঠী স্বার্থের অনুকূলে প্রভাবিত করা ।




সোমবার, ৩ অক্টোবর, ২০২২

স্বাধীনতা এবং সাম্য

Clg political Science questions answers কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর স্বাধীনতা এবং সাম্য swadhin abong sammo


প্রশ্ন : স্বাধীনতা বলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : আক্ষরিক অর্থে স্বাধীনতা বলতে নিয়ন্ত্রণবিহীনতা বােঝায় । রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ল্যাস্কির কথায় স্বাধীনতা হল সেই পরিবেশের সংরক্ষণ যেখানে ব্যক্তি তার সত্তার চরম বিকাশ ঘটাতে পারে । 


প্রশ্ন : স্বাধীনতার রক্ষাকবচগুলি কী কী ? 

উত্তর : স্বাধীনতার প্রধান রক্ষাকবচগুলি হল – ( ক ) নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি ( খ ) আইনের অনুশাসন ( গ ) ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ ( ঘ ) দায়িত্বশীল প্রশাসন ( ঙ ) স্বাধীন বিচারালয় ( চ ) মুদ্রাযন্ত্রের স্বাধীনতা ( ছ ) সচেতন জনমত ।  


প্রশ্ন : স্বাধীনতা সম্পর্কে মার্কসীয় ধারণা ব্যাখ্যা কর । 

উত্তর : মার্কসবাদীরা স্বাধীনতার ইতিবাচক ধারণায় বিশ্বাসী । তারা মনে করেন মানুষের পরিপূর্ণ বিকাশের সুযােগই হল স্বাধীনতা । এই সুযােগ লাভ সম্ভব হবে যদি সমাজে সব রকমের শােষণের অবসান ঘটে । সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলেই এই প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং সাম্যবাদী সমাজে তা পরিপূর্ণতা পাবে । 


প্রশ্ন : স্বাধীনতার ধারণার বিকাশে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা উল্লেখ কর । 

উত্তর : স্বাধীনতার ধারণা বিকাশে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা হল – আমেরিকার স্বাধীনতা সংগ্রাম ( ১৭৭৬ ) এবং ফরাসী বিপ্লব ( ১৭৮১ ) । 


প্রশ্ন : স্বাধীনতা সম্পর্কিত আলােচনায় দুইজন রাষ্ট্রচিন্তাবিদের নাম লেখ । 

উত্তর : আর্নেস্ট বার্কার , হ্যারল্ড ল্যাস্কি ।



প্রশ্ন : ইতিবাচক ও নেতিবাচক স্বাধীনতা বলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : ইতিবাচক স্বাধীনতা বলতে বােঝায় ব্যক্তির সুস্থ, স্বচ্ছল ও কল্যাণকর জীবনের জন্য অন্তর্নিহিত সত্তার বিকাশ ঘটানাে । আর নেতিবাচক স্বাধীনতা হল ব্যক্তি ও সমাজের কল্যাণের জন্য বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ ও ব্যক্তির স্বাধীনতায় বাধাদান করা হল নেতিবাচক স্বাধীনতা । 


প্রশ্ন : জে.এস. মিল কয় প্রকার স্বাধীনতার কথা বলেছেন ? 

উত্তর : জে.এস. মিল দুই প্রকার স্বাধীনতার কথা বলেছেন । ( ক ) আত্মসম্বন্ধীয় স্বাধীনতা ( খ ) অপর সম্বন্ধীয় স্বাধীনতা । 


প্রশ্ন : রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ধারণায় কয় প্রকার স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে ও কী কী ? 

উত্তর : ৩ প্রকার স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে । ( ক ) পৌর স্বাধীনতা , ( খ ) রাজনৈতিক স্বাধীনতা ( গ ) অর্থনৈতিক স্বাধীনতা । 

প্রশ্ন : পৌর স্বাধীনতা বলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : বার্কারের মতে , মানুষ ব্যক্তি হিসাবে যে স্বাধীনতা ভােগ করে তা হল ব্যক্তি স্বাধীনতা বা পৌর স্বাধীনতা । যেমন - দৈহিক স্বাধীনতা , মত প্রকাশ বিশ্বাস, বৌদ্ধিক স্বাধীনতা, নিজের ইচ্ছা ও পছন্দ অনুসারে চুক্তিমূলক কার্য সম্পাদনের স্বাধীনতা ইত্যাদি হল পৌর স্বাধীনতা ।


প্রশ্ন : রাজনৈতিক স্বাধীনতা বলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : রাজনৈতিক বিষয়ে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করা , নিজের পছন্দ অনুযায়ী সরকার গঠনে মতপ্রকাশ , ভােটদান ,নির্বাচিত হওয়া নির্বাচন করা এবং সরকারকে সমালােচনার অধিকারই হল রাজনৈতিক স্বাধীনতার অন্তর্গত। 


প্রশ্ন : অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : অর্থনৈতিক স্বাধীনতা হল এমন একটি স্বাধীনতা যেখানে ব্যক্তিমানুষতার বেঁচে থাকার মূল রসদ খুঁজে পায় , ব্যক্তির জীবনে বেঁচে থাকা ও জীবন ধারণের জন্য অর্থনৈতিক স্বাধীনতা একান্ত প্রয়োজনীয় ।

প্রশ্ন : দুটি পৌর স্বাধীনতার উদাহরণ দাও । 

উত্তর : ( ক ) মত প্রকাশের স্বাধীনতা ( খ )দৈহিক স্বাধীনতা । 

প্রশ্ন : দুটি রাজনৈতিক স্বাধীনতার উল্লেখ কর । 

উত্তর : ( ক ) রাজনৈতিক বিষয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ( খ ) ভােটদানের অধিকার । 

প্রশ্ন : দুটি অর্থনৈতিক স্বাধীনতার উদাহরণ দাও । 

উত্তর : ( ক ) জীবিকা নির্বাহন করার স্বাধীনতা ( খ ) কর্মের স্বাধীনতা ।


প্রশ্ন : পুঁজিবাদী সমাজে স্বাধীনতার প্রকৃতি কেমন ? 

উত্তর : পুঁজিবাদী সমাজে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্বাধীনতার কথা উল্লেখ থাকলেও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার প্রসঙ্গ অবহেলিত হয়েছে । পুঁজিবাদী সমাজে অর্থনৈতিক অসাম্য - বৈষম্য এবং শােষণ বলবৎ থাকায় স্বাধীনতা শূন্যগর্ভ তত্ত্বকথায় পরিণত হয়েছে । 

প্রশ্ন : সমাজতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় স্বাধীনতাকে কীভাবে দেখা হয়েছে ? 

উত্তর : সমাজতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় ব্যক্তিগত মালিকানার অবসান ঘটিয়ে , শ্রেণী শােষণ ও সকল প্রকার বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে এমন এক আর্থ -সামাজিক ব্যবস্থার সৃষ্টি করে যেখানে স্বাধীনতা প্রকৃত স্বাদ উপলব্ধি করে ।


প্রশ্ন : আইনগত সাম্য বলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : আইনগত সাম্য হল আইনের দৃষ্টিতে সকল প্রকার ব্যক্তি সমান এবং সকল ব্যক্তির ক্ষেত্রে আইন সমান ভাবে প্রয়ােগ হবে । আইনের দ্বারা সবাই সুরক্ষিত হবে । 


প্রশ্ন : অর্থনৈতিক সাম্য বলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : অর্থনৈতিক সাম্যের অর্থ হল সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের সামাজিক সম্পদের সমান ভাবে বন্টন । কিন্তু এই ধরনের সাম্য কখনােই সম্ভব নয় ।কিন্তু রাষ্ট্রচিন্তাবিদদের মতে , নাগরিকরা যাতে আর্থিক বৈষম্যের শিকার না হয় এই ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সাম্যের কথা বলেছেন । 

প্রশ্ন : সামাজিক সাম্য বলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : সমাজের সকল ব্যক্তির মধ্যে ধর্ম, রাজনীতি ,সংস্কৃতি ,শিক্ষা প্রভৃতি বিভিন্ন দিক থেকে সমান সুযােগ - সুবিধা ও অধিকার প্রদানই হল সামাজিক সাম্য । 


প্রশ্ন : রাজনৈতিক সাম্য বলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : রাজনৈতিক সাম্য হল – জাতি , ধর্ম, বর্ণ, বংশ - মর্যাদা, অর্থনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তি, - স্ত্রী - পুরুষ নির্বিশেষে সকলের সরকার গঠন , সরকারকে সমালােচনা করা , নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা , এইসব ক্ষেত্রে সমান সুযােগ -সুবিধাকে রাজনৈতিক সাম্য বলে । 





রবিবার, ২ অক্টোবর, ২০২২

উদারনীতি এবং নয়া উদারনীতিবাদ

Clg political Science questions answers কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর উদারনীতি এবং নয়া উদারনীতিবাদ udarniti abong noya udarnitibad


প্রশ্ন : উদারনীতিবাদ বলতে কী বোঝ ? 

উত্তর : রাষ্ট্র সম্পর্কে একটি সংস্কারধর্মী খােলামেলা মতবাদ হল উদারনীতিবাদ । এই মতবাদে রাষ্ট্র , সমাজে ব্যক্তি স্বাধীনতারর পরিধিকে বিস্তৃত করেছে । রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের সঙ্গে চরম বিরােধিতা উদারনীতিবাদের । উদারনীতিবাদের মূল কথা হল সীমিত রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব ও ব্যক্তিস্বাধীনতার বিকাশ ঘটানাে । 


প্রশ্ন : উদারনীতিবাদ তত্ত্বের মূল উপজীব্য বিষয় কী ? 

উত্তর : উদারনীতিবাদের মূল উপজীব্য বিষয় হল রাষ্ট্রে ও সমাজে ব্যক্তি স্বাধীনতার বিস্তৃতি ঘটানাে , সামাজিক , রাজনৈতিক , অর্থনৈতিক , ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যক্তি জীবনের স্বাধীনতার বিকাশ ঘটানাে । 

প্রশ্ন : কোন্ সময়টা উদারনীতিবাদী তত্ত্বের বিকাশ ঘটে ? 

উত্তর : মূলত অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতকের রাষ্ট্র দর্শনে উদারনীতিবাদী তত্ত্বের বিকাশ ঘটলেও ষােড়শ ও সপ্তদশ শতক থেকে এই তত্ত্ব দর্শনের চিন্তায় স্থান লাভ করে । 


প্রশ্ন : লক কীভাবে উদারনৈতিক মতবাদ পােষণ করেন ? 

উত্তর : জনসম্মতি হল রাষ্ট্রের ভিত্তি এবং জনকল্যাণের স্বার্থেই রাষ্ট্রের অস্তিত্বের প্রয়ােজন । লকের মতে ,কর্তৃত্ব নয়, আইনই হল রাষ্ট্রের ভিত্তি ।তাঁর মতে , জীবন ,সম্পত্তি ও স্বাধীনতার অধিকারের ওপর রাষ্ট্র কোনােভাবেই হস্তক্ষেপ করতে পারবে না । 


প্রশ্ন : কয়েকজন সনাতনী উদারনীতিবাদী তত্ত্বের প্রবক্তার নাম লেখাে ।

উত্তর : জন লক , বেন্থাম , হার্বাট স্পেনসার , জন স্টুয়ার্ট মিল । 


প্রশ্ন : বেন্থাম কে ছিলেন ও তাঁর রচিত গ্রন্থের নাম কী ? 

উত্তর : বেন্থাম ছিলেন হিতবাদী বা উপযােগীবাদী তত্ত্বের প্রবক্তা। তাঁর রচিত গ্রন্থটি হল – ‘An Introduction to the principles of moral and Legislation’ 


প্রশ্ন : বেন্থামের হিতবাদী বা উপযােগীতাবাদী দর্শনে উদারনৈতিক তত্ত্বের কীরূপ ইঙ্গিত পাওয়া যায় ? 

উত্তর : ১ ) রাষ্ট্রের প্রকৃত লক্ষ্য সর্বাধিক মানুষের কল্যাণ করা । 

২ ) ব্যক্তির সর্বোচ্চ পরিমাণ সুখলাভে ব্যক্তিকে সাহায্য করা । 

৩ ) রাষ্ট্র কোনাে ভুল বা অন্যায় করলে জনগণ রাষ্ট্রের বিরােধিতা করবে ।



প্রশ্ন : নয়া উদারনীতিবাদ বলতে কী বােঝাে ? 

উত্তর : উদারনীতিবাদীরা যদি প্রবল ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের কথা বলে থাকেন , তবে নয়া উদারনীতিবাদীদের মতে ,ব্যক্তি স্বাধীনতার পাশাপাশি প্রয়ােজন হল রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ তাই নয়া উদারনীতিবাদীরা নূন্যতম ক্ষমতাসম্পন্ন রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব ও জনকল্যাণকর রাষ্ট্রের কথা বলেছেন । 


প্রশ্ন : কয়েকজন নয়া উদারনীতিবাদী রাষ্ট্রতাত্ত্বিকের নাম লেখাে । 

উত্তর : জন রলস , রবার্টনজিক , হায়েক ,কেইনস্ প্রমুখ হলেন নয়াউদারনীতিবাদী রাষ্ট্রচিন্তাবিদ । 


প্রশ্ন : দুইজন বহুত্ববাদী দার্শনিকের নাম লেখাে । 

উত্তর : ল্যাস্কি, ম্যাকাইভার । 


প্রশ্ন : জনকল্যাণকর রাষ্ট্রব লতে কী বােঝাে ? 


উত্তর : নব্য উদারনীতিবাদী দার্শনিকরা ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে থেকে ব্যক্তিস্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদ সম্পূর্ণ বজায় রেখে পরিবর্তিত আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ স্বীকার করে নিয়েছিলেন । অর্থাৎ জনকল্যাণ রাষ্ট্র হল মিশ্র অর্থনীতির ধারণা যেখানে ব্যক্তিগত পুঁজির সঙ্গে রাষ্ট্রীয় পুঁজির সংমিশ্রণ ঘটিয়ে জনগণের খাদ্য, বাসস্থান , শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসংস্থানের দায়িত্ব নেবে রাষ্ট্রীয় পরিকল্পিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মাধ্যমে । 


প্রশ্ন : রলসের সামাজিক ন্যায় ব্যবস্থার কটি ভিত্তি ছিল ও কী কী ? 

উত্তর : রলসের সামাজিক ন্যায়ের দুটি ভিত্তি ছিল _ ( ১ ) সমাজের অন্তর্গত সকল মানুষের জন্য ব্যাপক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করা । 

( ২ ) সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা । 



প্রশ্ন : সনাতন উদারনীতিবাদের ২টি বৈশিষ্ট্য লেখ । 

উত্তর : ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ , অবাধ বাণিজ্যের স্বাধীনতা । 


প্রশ্ন : নয়া উদারনীতিবাদের ২ টি বৈশিষ্ট্য লেখ । 

উত্তর : ( ১ ) রাষ্ট্রপরিকল্পিত মিশ্র অর্থনীতি ( ২ ) রাষ্ট্রে ন্যূনতম কর্তৃত্বের স্বীকৃতি । 


প্রশ্ন : নয়া উদারনীতিবাদের প্রধান দুটি স্তম্ভ কী কী ? । 

উত্তর : নয়া উদারনীতিবাদের প্রধান দুটি স্তম্ভ হল ( ১ ) ব্যক্তি ( ২ ) বাজার ।



প্রশ্ন : উদারনৈতিক গণতন্ত্রের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ । 

উত্তর : ( ১ ) ব্যক্তির স্বাধীনতা এবং অধিকারের উপর গুরুত্ব প্রদান করা । 

( ২ ) সার্বিক প্রাপ্তবয়স্কের ভােটাধিকারের স্বীকৃতি প্রদান ।


প্রশ্ন : কী বিপ্লবের মাধ্যমে উদারনীতিবাদ সুসংবদ্ধ আকার ধারণ করেছিল এবং কত সালে এই বিপ্লব হয়েছিল ? 

উত্তর : ইংল্যাণ্ডের গৌরবময় বিপ্লবের মাধ্যমে উদারনীতিবাদ সুসংবদ্ধ আকারণ ধারণ করে । এই বিপ্লব হয়েছিল ১৬৮৮ সালে । 


প্রশ্ন : হবসের লেখায় কীভাবে উদারনীতিবাদের প্রকাশ ঘটেছে ? 

উত্তর : টমাস হবসের লেখায় প্রথম ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের প্রকাশ ঘটে । কিন্তু শেষ পর্যন্ত চরম ক্ষমতাসম্পন্ন রাষ্ট্রের কর্তৃত্বকে মেনে নেওয়াতে তার তত্ত্বে উদারনীতিবাদ সুসংবদ্ধ হতে পারে নি । 


প্রশ্ন : রাষ্ট্রবিজ্ঞানে কাকে উদারনীতিবাদের জনক বলা হয় ? তার সঙ্গে কোন্ বিপ্লবের নাম জড়িত ? 

উত্তর : জন লককে উদারনীতিবাদের জনক বলা হয় । তার সঙ্গে ১৬৮৮ সালের গৌরবময় বিপ্লবের নাম জড়িত । 


প্রশ্ন : বৈধতার সংকট কী ? 

উত্তর : রাষ্ট্রের জনকল্যাণকর কার্য অতিমাত্রায় সম্প্রসারিত হবার ফলে রাষ্ট্রব্যবস্থা অতি ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ে । এই অবস্থায় রাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করতে ব্যর্থ হয় ফলে রাষ্ট্র জনসমর্থন হারায় ।এর ফলে বৈধতার সংকট সৃষ্টি হয় । 


প্রশ্ন : উদারনীতিবাদের মৌল নীতিগুলি লেখ । 

উত্তর : ( ১ ) সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকারের স্বীকৃতি ( ২ ) ব্যক্তিগত সম্পদের ওপর গুরুত্ব আরােপ করা ( ৩ ) শান্তিপূর্ণভাবে সরকার পরিবর্তন ( ৪ ) জনকল্যাণকর আদর্শ গ্রহণ । 




শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২

রাষ্ট্রতত্ত্ব

Clg political Science questions answers কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর রাষ্ট্রতত্ত্ব rastrotottho


প্রশ্ন : রাষ্ট্রবিজ্ঞানে রাষ্ট্রের প্রকৃতি সম্পর্কে কী কী মতবাদ প্রচলিত আছে ? 


উত্তর : রাষ্ট্রের প্রকৃতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মতবাদগুলি হল ( ক ) আদর্শবাদ ( খ ) উদারনীতিবাদ ( গ ) মার্কসবাদ ( ঘ ) গান্ধীবাদ । 


প্রশ্ন : আদর্শবাদ বলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : আদর্শবাদ বা রাষ্ট্রকে একটি স্বাভাবিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে গণ্য করেছেন । আদর্শবাদ মনে করেন রাষ্ট্র হল সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান কারণ রাষ্ট্রের মধ্যেই ব্যক্তি জীবনের প্রকৃত স্বাদ খুঁজে পায় । রাষ্ট্রের মধ্যের ব্যক্তির বিকাশ বা আত্মােপলব্ধি সম্ভব । 

প্রশ্ন : কয়েকজন আদর্শবাদী তত্ত্বের প্রবক্তার নাম লেখ । 

উত্তর : আদর্শবাদী প্রবক্তাগণ হলেন – কান্ট, ফিকটে , হেগেল , নীভসে , ট্রিটকে গ্রীন প্রমুখ ।  

প্রশ্ন : দুইজন ভাববাদী দার্শনিকের নাম লেখ । 

উত্তর : প্লেটো , অ্যারিস্টটল , হেগেল প্রমুখ। 

প্রশ্ন : আদর্শবাদের বিরুদ্ধে মূল সমালােচনাগুলি কী কী ? 

উত্তর : ক ) আদর্শবাদ ব্যক্তি স্বাধীনতার বিরােধী তাই এটি একটি রক্ষণশীল ও বিপদজনক মতবাদ । 

খ ) আদর্শবাদ রাষ্টকে সর্বশক্তিমান ও অভ্রান্ত বর্ণনা করে কার্যত এক সর্বাত্মক রাষ্ট্র ব্যবস্থাকেই সমর্থন করেছে ।


প্রশ্ন : উদারনীতিবাদ বলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : উদারনীতিবাদী মতবাদে ব্যক্তির স্বাধীন চিন্তা , মত প্রকাশের উপর গুরুত্ব আরােপ করে । এই মতবাদে রাষ্ট্রীয় কার্যাবলীকে সীমিত করতে চায় এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তির বিকাশে আগ্রহী । উদারনীতিবাদের মূল বক্তব্য সীমিত রাষ্ট্রীয় সার্বভৌম ক্ষমতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার বিকাশ ঘটানাে । 

প্রশ্ন : উদারনীতিবাদী তত্ত্বে কয়টি ভাবধারা দেখা যায় ও কী কী ? 

উত্তর : উদারনীতিবাদী দর্শন ২ টি ভাবধারার উপর প্রতিষ্ঠিত । ( ক ) সনাতন উদারনীতিবাদ ( খ ) নয়া উদারনীতিবাদ ।


প্রশ্ন : রাষ্ট্রসম্পর্কে মার্কবসাদীদের ধারণা কী ? 

উত্তর : মার্কসবাদীরা রাষ্ট্রকে একটি শ্রেণীস্বার্থ ও শ্রেণী শােষণ বলবৎকারী দমন - পীড়নমূলক যন্ত্র হিসাবে দেখেছেন । রাষ্ট্র হল বুর্জোয়া শ্রেণীর প্রাধান্য প্রতিষ্ঠাকারী । রাষ্ট্র কোন চিরন্তন বা শাশ্বত প্রতিষ্ঠান নয় । কারণ সমাজে যদি শ্রেণী দ্বন্দ্বের অবসান হয় তাহলে সাম্যবাদী সমাজে এই রাষ্ট্রের কোন প্রয়ােজনীয়তা নেই বলে মার্কসবাদীরা মনে করে । 


প্রশ্ন : মার্কসবাদীদের লেখা রাষ্ট্র সম্পর্কিত ধারণার উপর দুটি গ্রন্থের নাম লেখ । 

উত্তর : ( ক ) কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো ( ১৮৪৮ ) ( খ ) দাস ক্যাপিট্যাল ( ১৮৬৭ ) ( গ ) দ্য ওরিজিন অব ফ্যামিলি , প্রাইভেট প্রপারটি এ্যাণ্ডদ্যস্টেট ( ঘ ) দ্য স্টেট ( ঙ ) দ্য স্টেট এ্যাণ্ড রেভিলিউশান ।
 

প্রশ্ন : সর্বহারা শ্রেণীর একনায়কত্ব কী? 


উত্তর : সর্বহারা শ্রেণী বলতে মার্কসবাদীরা শ্রমিক শ্রেণীকে বুঝিয়েছেন । লেলিনের মতে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পর সর্বহারা শ্রেণীর একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে । এই রাষ্ট্র গঠিত হবে সমাজতান্ত্রিক আদর্শের উপর , এখানে কোন শ্রেণী বৈষম্য থাকবে না ।  


প্রশ্ন : সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখ ? 

উত্তর : ১ ) সমাজতন্ত্র হল সাম্যবাদী সমাজে পৌছানাের এক অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায় । 

২ ) সমাজতান্ত্রিক সমাজে শ্রেণী বিরােধের সম্পূর্ণ অবসান ঘটে না তাই রাষ্ট্রের উপস্থিতি দেখা যায়  কিন্তু সাম্যবাদী সমাজে রাষ্ট্রের বিলুপ্তির কথা বলা হয়েছে ।


প্রশ্ন : কয়েকজন মার্কসবাদী তাত্ত্বিকের নাম লেখ । 

উত্তর : কার্ল মার্কস , এঙ্গেল , লেনিন , স্তালিন প্রমুখ । 

প্রশ্ন : গান্ধীজী সর্বোদয় বলতে কী বুঝিয়েছেন ? 

উত্তর : সর্বোদয় হল গান্ধীজীর আদর্শ জীবন দর্শন, আক্ষরিক অর্থে সর্বোদয় বলতে বােঝায় সকলের কল্যাণ সাধন । অর্থাৎ সৎ উপায় , সত্য ও অহিংসার দর্শন । সর্বোদয়ের মূল লক্ষ্য হল আত্মশুদ্ধি ও আত্মত্যাগ ।


প্রশ্ন : মার্কসবাদীরা রাষ্ট্রকে ‘শ্রেণী শােষণের যন্ত্র’ বলেছেন কেন ? 

উত্তর : লেনিনের মতে , রাষ্ট্র হল শ্রেণী- শাসন প্রতিষ্ঠা করার এবং এক শ্রেণী কর্তৃক অপর শ্ৰেণীকে নিপীড়ন করার যন্ত্র । মার্কসবাদীদের মতে রাষ্ট্র বুর্জোয়া শ্রেণী কাঠামাের স্বার্থে কাজ করে এবং বুর্জোয়া শ্রেণীর দ্বারা রচিত আইন , প্রশাসন , পুলিশী ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাজে শ্রেণী শােষণ বজায় রাখে । 


প্রশ্ন : মার্কসবাদের বিরুদ্ধে ২ টি সমালােচনা লেখ । 

উত্তর : ১ ) মার্কসবাদ সমাজের সমস্ত দিক অর্থনৈতিক দিক থেকে বিচার বিশ্লেষণ করেছে ফলে রাষ্ট্রের জনকল্যাণকর দিকটি তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে । 

২ ) রাষ্ট্রের অবলুপ্তির ধারণাটি বিমূর্ত ধারণা কারণ সােভিয়েত রাশিয়ার দেশগুলিতেও এই ধারণা কার্যকর হয়নি ।


প্রশ্ন : গান্ধীজীর লেখা একটি গ্রন্থের নাম লেখ এবং একটি পত্রিকার নাম লেখ । 

উত্তর : গান্ধীজীর লেখা বই হল – Satyagraha in South Africa 
গান্ধীজীর লেখা পত্রিকা হল – হরিজন পত্রিকা । 

প্রশ্ন : গান্ধীজীর উপর কোন কোন পাশ্চাত্য রাষ্ট্রচিন্তাবিদদের প্রভাব পড়েছিল ? 

উত্তর : গান্ধীজী পাশ্চাত্য দার্শনিক টলস্টয় , রাস্কিন , থরাে প্রমুখ দার্শনিকদের চিন্তায় প্রভাবিত হয় ।


প্রশ্ন : আদর্শবাদের দুটি মূল বৈশিষ্ট্য লেখ বা রাষ্ট্র সম্পর্কে এঁরা কী বলেছেন ? 

উত্তর  ১ ) আদর্শবাদে রাষ্ট্রকে নৈতিকতা ও যুক্তিময়তার প্রতীক বলা হয়েছে । 
২ ) আদর্শবাদে রাষ্ট্রকে ব্যক্তির উর্দ্ধে স্থান দেওয়া হয়েছে । 


প্রশ্ন : উদারনীতি মতবাদের দুটি মূল বৈশিষ্ট্য লেখ । 

উত্তর : ১ ) উদারনীতিবাদ ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদে বিশ্বাসী । 
২ ) উদারনীতিবাদ রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে সীমিত করার পক্ষপাতী । 

প্রশ্ন : মার্কসবাদের দুটি মূল বৈশিষ্ট্য লেখ । 

উত্তর : ১) মার্কসবাদীরা রাষ্ট্রকে শ্রেণী শােষণের যন্ত্র বলেছেন 

২ ) মার্কসবাদীরা রাষ্ট্রের বিলুপ্তির কথা বলেছেন । 

প্রশ্ন : গান্ধীজীর চিন্তায় রাষ্ট্রের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ । 

উত্তর : ১ ) তিনি রাষ্ট্রকে হিংসার প্রতীক বলে গণ্য করেছেন ।  

২ ) তিনি রাষ্ট্রহীন গণতন্ত্রের পক্ষপাতী ছিলেন ।


প্রশ্ন : রাষ্ট্র সম্পর্কিত জৈব মতবাদে কী বলা হয়েছে ? 

উত্তর : জৈব মতবাদে রাষ্ট্রকে একটি জীবদেহ ভাবা হয় । জীবদেহে যেমন প্রত্যেকটি কোষ একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত তেমনি রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের মধ্যে জড়িত প্রতিটি সংস্থা কোষ স্বরূপ । জীবদেহের মতন রাষ্ট্রে জন্ম, বিবর্তন ও বিনাশ ঘটে ।


প্রশ্ন : গান্ধীজী ও মার্কসের দর্শনের মধ্যে মিল কোথায় আছে ? 

উত্তর : ১ ) গান্ধীজী এবং মার্কস উভয়ে রাষ্ট্রের প্রতি নেতিবাচক মনােভাব গড়ে তুলেছেন এবং উভয় দার্শনিকগণ রাষ্ট্রকে হিংসাপ্রয়ােগকারী প্রতিষ্ঠান বলেছেন । 

২ ) গান্ধীজী একটি আদর্শ রামরাজ্যের কথা বলেছেন । অন্যদিকে মার্কস সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের কথা বলেছেন । 




বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

সার্বভৌমিকতার ধারণা

Clg political Science questions answers কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর সার্বভৌমিকতার ধারণা sarbovoumikotar dharona


প্রশ্ন : সার্বভৌমিকতা বলতে কী বােঝায় ? 

উত্তর : সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের চরম ও অবাধ ক্ষমতা । এই ক্ষমতায় বলীয়ান হয়ে রাষ্ট্র দেশের সকল প্রতিষ্ঠান ও জনগণের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে এবং নীতি নির্ধারণ করতে পারে । 

প্রশ্ন : সার্বভৌমত্বের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী ?  

উত্তর : সার্বভৌমত্বের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল – ( ক ) মৌলিকতা বা চরমতা ( খ ) সার্বজনীনতা ( গ )  স্থায়িত্ব ( ঘ ) অহস্তান্তরযােগ্য এবং ( ঙ ) অবিভাজ্যতা । 

প্রশ্ন : সার্বভৌমিকতা শব্দটির উৎপত্তি কোথা থেকে হয়েছে ? 

উত্তর : ল্যাটিন শব্দ ‘Superanus' থেকেই সার্বভৌমিকতা শব্দটি এসেছে । 

প্রশ্ন : সার্বভৌমিকতা কথাটির বুৎপত্তিগত অর্থ কী? 

উত্তর : সার্বভৌমিকতা কথাটির বুৎপত্তিগত অর্থ হল – রাষ্ট্রের ক্ষমতা অবাধ ও চূড়ান্ত । 



প্রশ্ন : সার্বভৌম রাষ্ট্র বলতে কী বােঝাে ? 

উত্তর : সার্বভৌম রাষ্ট্র বলতে সেই রাষ্ট্রকে বােঝায় যে তার ভূখণ্ডের অন্তর্গত সমস্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসমূহের ওপর চরম , চূড়ান্ত ও অবাধ ক্ষমতা ভােগ করে ।



প্রশ্ন : সার্বভৌমিকতার বৈশিষ্ট্য হিসাবে সার্বজনীনতার অর্থ কী ? 

উত্তর : রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযুক্ত হয় । কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না । রাষ্ট্রের সার্বভৌমিকতার বৈশিষ্ট্য হিসেবে সার্বজননীতা এই অর্থকেই বােঝায় । 

প্রশ্ন : সার্বভৌমিকতার বৈশিষ্ট্য হিসাবে ‘চরমত্ব’ কথাটির অর্থ কী ? 

উত্তর : সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের চরম ক্ষমতা ।রাষ্ট্রেরমধ্যোত্ৰ বাইরের রাষ্ট্র থেকে উচ্চতর কোনাে ক্ষমতা রাষ্ট্রের উপর থাকতে পারে না । রাষ্ট্রের সার্বভৌমিকতার বৈশিষ্ট্য হিসেবে ‘চরমত্ব’ কথাটি এই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে । 


প্রশ্ন : সার্বভৌমিকতার বৈশিষ্ট্য হিসাবে ‘স্থায়িত্ব’ কথাটির অর্থ কী ? 

উত্তর : সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য । তাই রাষ্ট্রের যতদিন অস্তিত্ব থাকে ততদিন তার সার্বভৌমিকতাও অক্ষুন্ন থাকে । রাষ্ট্রের সরকারের পরিবর্তনের সঙ্গে রাষ্ট্রের ধারাবাহিকতা ক্ষুন্ন হয় না । সার্বভৌমিকতার বৈশিষ্ট্য হিসেবে ‘স্থায়িত্ব’ কথাটি এই অর্থে বােঝানাে হয় । 


প্রশ্ন : সার্বভৌমিকার একত্ববাদী তত্ত্ব বলতে কী বোঝ ? 

উত্তর : সার্বভৌমিকতার একত্ববাদ তত্ত্ব অনুসারে সার্বভৌম ক্ষমতা একক ভাবে একটি কেন্দ্রের মধ্যে অবস্থিত এবং সেই কেন্দ্রটি হল রাষ্ট্র । 


প্রশ্ন : দুজন একত্ববাদী তাত্ত্বিকের নাম লেখ ।  

উত্তর : দুজন একত্ববাদী তাত্ত্বিক হলেন – অস্টিন এবং বোঁদা । 

প্রশ্ন : সার্বভৌমিকতার বহুদ্ববাদী তত্ত্ব বলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : সার্বভৌমিকতার বহুত্ববাদী তত্ত্ব রাষ্ট্রীয় একত্ববাদকে আক্রমণ করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করার কথা বলে এবং রাষ্ট্র ছাড়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে ক্ষমতা বন্টন করে তাদের গুরুত্ব প্রতিষ্ঠিত করে । 


প্রশ্ন : দুজন বহুত্ববাদী রাষ্ট্র দার্শনিকের নাম লেখ । 

উত্তর : দুজন বহুত্ববাদী রাষ্ট্র দার্শনিকের নাম হল হ্যারল্ড ল্যাস্কি এবং আর্নেস্ট বার্কার । 


প্রশ্ন : জনগণের সার্বভৌমিকতা বলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : জনগণের সার্বভৌমিকতা বলতে শাসন ব্যবস্থার উপর জনগণের নিয়ন্ত্রণকে বােঝায় । 

প্রশ্ন : জনগণের সার্বভৌমিকতার মুখ্য প্রবক্তা কে ? 

উত্তর : জনগণের সার্বভৌমিকতার মুখ্য প্রবক্তা হলেন ফরাসি দার্শনিক রুশাে । 


প্রশ্ন : ‘Lectures on Jurisprudence’ গ্রন্থটি কে লিখেছিলেন ? 

উত্তর : উল্লিখিত গ্রন্থটি জন অস্টিনের দ্বারা রচিত ।







বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২

নাগরিকত্ব সম্পর্কে অ্যারিস্টটলের মতামত


Clg political Science questions answers কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর নাগরিকত্ব সম্পর্কে অ্যারিস্টটলের মতামত nagorikotto somporke Aristotler motamot


১। অ্যারিস্টটলের জন্ম কতসালে ? 

উত্তর : খ্রিস্টপূর্ব ৩৮৪ অব্দে । 

২। পেরিপ্যাটেটিকস কাকে বলে ? 

উত্তর : অ্যারিস্টটল তার ছাত্রদের পায়চারি করতে করতে বক্তৃতা দিতেন এবং এই পদ্ধতিতে শিক্ষাদান করতেন এই শৈলীটিকে পেরিপ্যাটেটিকস বলা হয় । 


৩। অ্যারিস্টটল কোন পদ্ধতিতে তাঁর মতামত আললাচনা করেছেন ? 

উত্তর : যুক্তিবিজ্ঞানসুলভ বা আরােহী পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন । 

৪। অ্যারিস্টটলের মতে নাগরিকত্বের প্রধান শর্ত কি ? 

উত্তর : বিচার বিভাগের কাজে ও সরকারী পদে স্থায়ীভাবে অংশগ্রহণ করতে পারা । 

৫। রাষ্ট্রবিজ্ঞান কেন ‘উদ্দেশ্যমূলক বিজ্ঞান’ ? 

উত্তর : অতীত ও বর্তমানের একাধিক রাষ্ট্র ও পরস্পরের মধ্যে তুলনামূলক আলােচনা করে ভবিষ্যতের জন্য একটা আদর্শ রাষ্ট্র ও সরকারের রূপরেখা প্রকাশ করা যায় । উত্তরসূরীদের জীবন সুন্দর ও সমৃদ্ধ করার উদ্দেশ্যে এরূপ আদর্শ রাষ্ট্র গঠন করার কথা বলা হয় । এদিক থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে উদ্দেশ্যমূলক বিজ্ঞান বলা হয় ।


৬। ‘The Nature of Politics’ গ্রন্থের রচয়িতা কে ? 

উত্তর : জে.ডি.বি. মিলার হলেন ‘The Nature of Politics' গ্রন্থের লেখক । 

৭। মাকর্সবাদীদের মতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান কাকে বলে ? 

উত্তর : মার্কসীয় মতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান হল সেই বিষয় যা শ্রেণি দ্বন্দ্ব , শ্রেণি বৈরিতার সম্পর্কে সার্বিক আলােচনা করে এবং এগুলি সম্পর্কিত পরিচালক গােষ্ঠীর ব্যবস্থা ও সিদ্ধান্তসমূহের ওপর আলােকপাত করে থাকে ।




মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২

আম্বেদকর

Clg political Science questions answers কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর আম্বেদকর ambedkar


প্রশ্ন : আম্বেদকরের লেখা যে কোনাে দুটি গ্রন্থের নাম লেখ । 

উত্তর : ( ১ ) হু ওয়ার দি শূদ্রস ( ১৯৪৬ ), ( ২ ) অ্যানিহিলেশন অব কাস্ট ( ১৯৩৫ ) । 

প্রশ্ন : জাতব্যবস্থার উপর রচিত আম্বেদকরের দুটি গ্রন্থের নাম লেখাে । 

উত্তর : 'Who were the Shudras ', 'Annihilation of the Caste । 


প্রশ্ন : আম্বেদকর কত সালে ও কোথায় বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন ? 

উত্তর : ১৯৫৬ সালে ১৪ অক্টোবর নাগপুরে বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন । 

প্রশ্ন : আম্বেদকরের মতে কোন উপাদানের ভিত্তিতে গণতন্ত্র দাড়িয়ে থাকে ? 

উত্তর : ( ১ ) ব্যক্তি স্বাধীনতা , ( ২ ) ব্যক্তির অ -হস্তান্তরযােগ্য কিছু অধিকার , ( ৩ ) সাম্য , ( ৪ ) সাম্য প্রতিষ্ঠার লক্ষে রাষ্ট্রের কাছ থেকে কিছু সুযােগ সুবিধার প্রাপ্তি । 


প্রশ্ন : কত সালে , কোথায় আম্বেদকর ‘মনুস্মৃতি’ গ্রন্থটিকে পুড়িয়ে দিয়েছিলেন ? 

উত্তর : ১৯২৭ সালে ডিসেম্বর মাসে দ্বিতীয় মাহার সম্মেলনে মনুস্মৃতিকে অগ্নিদগ্ধ করেন । 


প্রশ্ন : নারী অধিকার ও ক্ষমতায়নের জন্য আম্বেদকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেন ? 

উত্তর : ( ১ ) জাত বৈষম্য দূরীকরণের মধ্য দিয়ে লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণ , ( ২ ) নারীর শিক্ষার অধিকার । ( ৩ ) উপযুক্ত পরিবেশে নারীর কাজের অধিকার , ( ৪ ) সামাজিক সুরক্ষার অধিকার প্রভৃতি 


প্রশ্ন : আম্বেদকর সংবিধান রচনায় ভূমিকা লেখ । 

উত্তর : ভারতের সংবিধান রচনার জন্য গঠিত গণপরিষদে সভাপতি ছিলেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও আইনজ্ঞ ড. বি . আর . আম্বেদকর । তাঁর চিন্তা ভাবনার মধ্যে সব থেকে উল্লেখযোগ্য হল তপশিলি জাতি ও উপজাতিদের উন্নতিকল্পে বিশেষ সাংবিধানিক ব্যাবস্থায় সাম্যের অধিকারের উপর গুরুত্ব দেন এবং সংবিধানের ১৪, ১৫ , ১৬ , ১৭ নং ধারা অন্তভুক্তিতে তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য । এছাড়াও ৩৯ ( খ ) ও ৪৫ নং ধারা দুটি অন্তভুক্তিতেও তাঁর অবদান আছে । 



প্রশ্ন : আম্বেদকর কর্তৃক প্রকাশিত দুটি পত্রিকার নাম কর । 

উত্তর : আম্বেদকর কর্তৃক প্রকাশিত দুটি পত্রিকা হল – ( ১ ) মূক নায়ক , ( ২ ) বহিস্কৃত ভারত । 


প্রশ্ন : ভারতীয় অর্থনীতির উপর ভিত্তি করে আম্বেদকর যে গ্রন্থগুলি রচনা করেন তার নাম লেখ । 

উত্তর : ( i ) The problem of the rupee , ( 2 ) Small holding in Indian Currency and banking .



প্রশ্ন : আম্বেদকরের বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করার পিছনে দুটি যুক্তি উল্লেখ করাে । 

উত্তর : ১৯৫৬ সালে ১৪ অক্টোবর বৌদ্ধধর্মে আম্বেদকর দীক্ষিত হন । কারণগুলি হল - ( ১ ) বেদ ভিত্তিক হিন্দুধর্মের আচার সর্বস্বতা থেকে সর্বোতভাবে মুক্ত ছিল বৌদ্ধ ধর্ম । ( ২ ) এই ধর্মে বিশ্বভ্রাতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হয় । 


প্রশ্ন : গান্ধীজির কোন শব্দটির বিরােধিতা করেন আম্বেদকর ? 

উত্তর : গ্রান্ধীর ব্যবহৃত হরিজন শব্দটির বিরােধিতা করেন । 

প্রশ্ন : ভারতীয় বুদ্ধ জনসংঘ কে কত সালে তৈরি করেন ? 

উত্তর : বি : আর আম্বেদকর ভারতীয় বুদ্ধ জনসংঘ ১৯৫১ সালে তৈরি করেন । 

প্রশ্ন : ‘পেশার ভিত্তিকে মানুষের ভাগ করাকে আম্বেদকর কি বলেছিলেন ? 

উত্তর : পেশার ভিত্তিতে মানুষের ভাগ করাকে আম্বেদকর ‘A Kind of Political Jugglery’ বলেছিলেন । 


প্রশ্ন : ‘Bahiskrut Hitkarini Sabha’ কে গঠন করেন ? 

উত্তর : ‘Bahiskrut Hitkarini Sabha’ বি . আর আম্বেদকর গঠন করেন । 

প্রশ্ন : দেশের অভ্যন্তরীণ অন্যায়ের বিলুপ্তি কেন প্রয়ােজন বলে আম্বেদকর মনে করতেন ? 

উত্তর : অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করতে দেশের অভ্যন্তরীণ অন্যায়ের বিলুপ্তিকরণ আবশ্যিক বলে তিনি মনে করতেন । 

প্রশ্ন : আম্বেদকরের পূর্ব নাম কী ছিল ও তিনি কোন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ? 

উত্তর : আম্বেদকরের পূর্ব নাম ছিল শকপাল । তিনি মহারাষ্ট্রের নিম্নশ্রেণিভুক্ত অর্থাৎ দলিত মাহার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ।




সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২

রামমোহন রায় ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন সম্পর্কে উপলব্ধি এবং আধুনিকরণ

Clg political Science questions answers কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর রামমোহন রায় ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন সম্পর্কে উপলব্ধি এবং আধুনিকরণ rammohon ray british oponibeshik shashon somporke upolobdhi abong adhunikoron


প্রশ্ন : রাজা রামমােহন রায় কোন জার্মান দার্শনিকের সমসাময়িক ছিলেন ? 

উত্তর : প্রখ্যাত দার্শনিক হেগেলের সময়াময়িক দার্শনিক ছিলেন রাজা রামমােহন রায় । 


প্রশ্ন : রাজা রামমেহান রায়ের উদ্যোগ সংঘটিত দুটি সমাজসংস্কারের উল্লেখ করাে । 

উত্তর : রাজা রামমােহন রায় সংঘটিত দুটি উল্লেখযােগ্য সমাজ সংস্কার হল — ( ১ ) সতীদাহ প্রথা নিবারণ ( 2 ) বিধবা বিবাহের প্রসার । 


প্রশ্ন : রাজা রামমােহন রায় কখন বেদান্ত মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ? 

উত্তর : রাজা রামমেহান রায় ১৮২৫ সালে বেদান্ত মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন । 


প্রশ্ন : রামােহন রায়ের লেখা দুটি গ্রন্থের নাম লেখাে । 

উত্তর : রামমােহন রায়ের লেখা দুটি গ্রন্থ হলাে — ‘তুহাফাৎ - উল -মুয়াহহিদিন’ ( ১৮০৩-০৪ ), ‘বেদান্তগ্রন্থ’( ১৯১৫ )। 


প্রশ্ন : রামমােহন রায় সম্পাদিত দুটি সংবাদপত্রের নাম লেখা । 

উত্তর : রামমেহান রায় দুটি সাপ্তাহিক পত্রিকা সম্পাদনা করেছিলেন সেগুলি হলাে — ( ১ ) সংবাদ কৌমুদি ( ১৮২১ ), ( ২ ) মিরত -উল - আখবর ( ১৮২২ ) । 


প্রশ্ন : দুজন সামসাময়িক ইউরােপীয় রাষ্ট্রচিন্তাকের নাম উল্লেখ করা যারা রামমােহন রায়কে প্রভাবিত করেছিলেন ?

উত্তর : রামমেহান রায় যাদের চিন্তা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন তারা হলেন উইলিয়াম রসকো , জোরেমি বেন্থাম, রবার্ট ওয়েন প্রমুখ । 


প্রশ্ন : আধুনিক ভারতের জনক কাকে বলা হয় ? 

উত্তর : রাজা রামমােহন রায়কে আধুনিক ভারতের জনক বলা হয় । 


প্রশ্ন : কত সালে রামমােহন ‘আত্মীয় সভা’ নামে সংগঠন গড়ে তােলেন ? 

উত্তর : রামমােহন রায় ১৮১৫ সালে ‘আত্মীয় সভা’ নামে সংগঠন গড়ে তােলেন ।


প্রশ্ন : রামমােহন রায়কে কেন ভারতের ‘প্রথম আধুনিক মানুষ ’ বলা হয় ? 

উত্তর : রামমােহন রায়কে ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ বলা হয় তার কারণগুলি হল - ( ১ ) তিনি প্রথম তার চিন্তার মধ্যে ভারতে ধর্ম, সমাজ সংস্কারকে গুরুত্ব প্রদান করেছিলেন , ( ২ ) স্বাধীনতার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেছিলেন , ( ৩ ) আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাকরতে চেয়েছিলেন । 


প্রশ্ন : রামমােহনের তৈরি ধর্মীয় মঞ্চটির নাম কি ? 

উত্তর : রামমােহনের তৈরি দর্মীয় মঞ্চটির নাম হল ব্রাহ্মসভা । 


প্রশ্ন : ‘ব্রাহ্মসভা’ স্থাপনের উদ্দেশ্যে কি ছিল ? 

উত্তর : রামমােহন রায়ের ‘ব্রাহ্মসভা’ প্রতিষ্ঠা করার মূল উদ্দেশ্য ছিল একেশ্বরবাদ প্রচার এবং হিন্দু , মুসলিম , খ্রিস্টান প্রতিটা ধর্মের অন্ধবিশ্বাস দূর কর । 


প্রশ্ন : রামমােহন সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য কি যুক্তি প্রদর্শন করেছিলেন ? 

উত্তর : সংবাদপত্রে স্বাধীনতারক্ষার জন্য যেসব যুক্তিগুলি তিনি প্রদর্শন করেছিলেন সেগুলি হল — ( ১ ) জনগণের মতামত ও শাসকশ্রেণির মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি হবে এই সংবাদপত্রের মধ্যে দিয়ে, ( ২ ) জনগণ তাদের অসুবিধাগুলি সংবাদপত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারবে তাই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা করতে চেয়েছিলেন । 


প্রশ্ন : ভারতে নীলচাষ সম্পর্কে রামমােহনের কী যুক্তি ছিল ? 

উত্তর : আগে চাষিরা জমিদারের জবরদস্তিতে বিনা মজুরিতে শ্রম দিতে বাধ্য হতাে, তারা নীলকরদের আওতায় কিছুটা স্বাধীনতা ও স্বাচ্ছন্দ্য ভােগ করছে , প্রত্যেকেই নীলকরদের কাছ থেকে বেতনলাভ করছে । অর্থাৎ রামমেহানের মতানুযায়ী নীলকরদের আমলে চাষিরা ভূমিদাস থেকে বেতনভুক শ্রমিকে পরিণত হয়েছে । যার মধ্যে দিয়ে ভারতে পুঁজিবাদের উত্তরণ ঘটেছে ।


প্রশ্ন : রামমােহনকে ‘রাজা’ উপাধি কেন দেওয়া হয়েছিল ? 

উত্তর : ১৮২৯ সালে মুঘল সম্রাটের বক্তব্য ব্রিটিশ রাজদরবারে পৌছে দেওয়ার জন্য তিনি ইংল্যান্ডে গিয়েছিলেন , সেজন্য রামমােহনকে রাজা উপাধি দেওয়া হয়েছিল । 


প্রশ্ন : কে রামােহনকে ‘The Universal Man' বলে উল্লেখ করেন ? 

উত্তর : আচার্য ব্রজেন্দ্রলাল শীল । 


প্রশ্ন : ভারতবর্ষে নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির অগ্রদূত কে ? 

উত্তর : ভারতবর্ষে নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির অগ্রদূত হলেন রাজা রামমােহন রায় ।



প্রশ্ন : রামোহনের মতে ব্রিটিশ শাসনের অন্যতম সুফল কি ? 

উত্তর : ব্রিটিশ শাসন বহুধাবিভক্ত ভারতবর্ষকে একই ধরনের রাজনৈতিক সূত্রে সংহত করেছে ।




রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২

স্বরাজ সম্পর্কে তিলক ও গান্ধীজি

Clg political Science questions answers কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর স্বরাজ সম্পর্কে তিলক ও গান্ধীজি swaraj somporke tilok o gandhiji


১। Hind Swaraj কার লেখা ? 

উত্তর : গান্ধীজির । 

২। গান্ধীজির কোন গ্রন্থে স্বরাজ সম্পর্কিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায় ? 

উত্তর : Hind Swaraj গ্রন্থে ।  


৩। গান্ধীজির পূর্বে কে ভারতীয় চিন্তাধারায় স্বরাজ শব্দটি ব্যবহার করেন ? 

উত্তর : দাদাভাই নওরােজি । 


৪। তিলকের স্বরাজ ধারণার সাথে কোন দার্শনিক প্রত্যয় জড়িত ছিল ? 

উত্তর : আত্মনিয়ন্ত্রণ । 

৫। তিলকের নিকট স্বরাজ কি ? 

উত্তর : প্রধানত বিদেশী শাসনের মুক্তি তবে মানুষের উন্নত নৈতিক প্রতিষ্ঠা ও আধ্যাত্মিক মুক্তির জীবনচর্চা । 

৬। গান্ধীজির নিকট স্বরাজ কি ? 

উত্তর : মূলত মানুষের নিজে নিজেকে পরিচালনা করার স্বাধীনতা পাবে — এটাই গান্ধীজির স্বরাজ ।




শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২

গণতন্ত্র এবং নেহেরু ও জয়প্রকাশ নারায়ণ

Clg political Science questions answers কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর গণতন্ত্র এবং নেহেরু ও জয়প্রকাশ নারায়ণ gonotontro abong nehru o joyprokash narayan


১। গণতন্ত্র বলতে কী বােঝ ? 

উত্তর : গণতন্ত্র বলতে কোনও জাতিরাষ্ট্রের এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে বােঝায় যেখানে নীতি নির্ধারণ বা সরকারি প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক নাগরিক বা সদস্যের সমান ভােটাধিকার থাকে । 

২। ‘গণতন্ত্র’ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ লেখ । 

উত্তর : ‘গণতন্ত্র’ পরিভাষাটি ইংরেজি ডেমােক্রেসি ( Democracy ) থেকে এসেছে । এর ইংরেজি শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ ‘Demos’ ও ‘kratos ’ ( দেমাে ক্ৰাতিয়া ) শব্দ থেকে , যার অর্থ জনগণের শাসন । 


৩। ‘গণতন্ত্র’ শব্দটি কোন শব্দ থেকে এসেছে এর বাংলা অর্থ কী ? 

উত্তর : ‘গণতন্ত্র’ শব্দটি গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে ।  এর বাংলা অর্থ জনগণের শাসন । 


৪। আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক দিবস কত খ্রিস্টাব্দে পালিত হয় ? বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশের নাম লেখ । 

উত্তর : আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক ১৫ ই সেপ্টেম্বর পালিত হয় । বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দিবস হল ভারত । 


৫। আধুনিক গণতন্ত্রের জনক কে , কোন দেশে প্রথম গণতন্ত্র সম্পর্কে ধারণা গড়ে ওঠে ? 

উত্তর : আধুনিক গণতন্ত্রের জনক হলেন — জন । প্রাচীন গ্রীসে প্রথম গণতন্ত্র সম্পর্কে ধারণা গড়ে ওঠে ।


৬। কোন শাসন ব্যবস্থায় এক নেতা একদল এক রাষ্ট্রের ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয় ? 

উত্তর : একনায়কতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় এক নেতা , এক দল , এক রাষ্ট্রের ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয় । 


৭। অধ্যাপক বার্কার এর মতে , গণতন্ত্র কী ? 

উত্তর : অধ্যাপক বার্কার এর মতে , গণতন্ত্র হল ‘আলাপ আলােচনার মাধ্যমে পরিচালিত শাসন ব্যবস্থা ।’ 


৮। গণতন্ত্রের দুটি সীমাবদ্ধতা লেখ । 

উত্তর : গণতন্ত্রের দুটি সীমাবদ্ধতা হল— ( i ) অদক্ষদের শাসন , ( ii ) স্থায়িত্বের অভাব ।


৯। জয়প্রকাশ কবে সমাজতন্ত্রী দল গঠন করেন ? এর প্রথম সভাপতি ও সম্পাদক কে ছিলেন ? । 

উত্তর : জয়প্রকাশ ১৯৪৮ সালে সমাজতন্ত্রী দল গঠন করেন । প্রথম সভাপতি হলেন নরেন্দ্রদেব ও সম্পাদক হলেন জয়প্রকাশ । 


১০। প্রধানত কার উদ্যোগে ‘প্রজা সমাজতন্ত্রী’ দল গঠিত হয়েছিল এবং দলটির লক্ষ্য কী ছিল ? 

উত্তর : প্রধানত জয়প্রকাশ নারায়ণ - এর উদ্যোগে সমাজতন্ত্রী দল ও কিষাণ মজদুর প্রজা পার্টি মিলে ‘প্রজা সমাজতন্ত্রী দল’ গঠিত হয়েছিল । 


১১। জয়প্রকাশ নারায়ণ কবে , কোথায় জন্মগ্রহণ করেন ? 

উত্তর : জয়প্রকাশ নারায়ণ ১৯০২ সালে ১১ ই অক্টোবর উত্তরপ্রদেশের সীমানা লগ্ন বিহারের এক গ্রামে কায়স্থ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন । 


১২। জয়প্রকাশ নারায়ণ সারা ভারতে কী নামে পরিচিত ? 

উত্তর : জয়প্রকাশ নারায়ণ সারা ভারতে ‘লােকনায়ক’ নামে পরিচিত । 


১৩। জয়প্রকাশ কত সালে কংগ্রেস সমাজতন্ত্রী দল গঠন করেন ? 

উত্তর : জয়প্রকাশ নারায়ণ ১৯৩৪ সালে কংগ্রেস সমাজতন্ত্রী দল গঠন করেন ।  


১৪। কত সালে , কার লেখা ‘Why Socialism ' প্রকাশিত হয় ? 

উত্তর : ১৯৩৬ সালে জয়প্রকাশের লেখা ‘Why Socialism’ প্রকাশিত হয় । 


১৫। জয়প্রকাশের লেখা দুটি গ্রন্থের নাম লেখ । 

উত্তর : জয়প্রকাশের লেখা দুটি গ্রন্থের নাম হল— 

( i ) ‘Why Socialism’ ( 1936 ),

( ii ) ‘My Picture of Socialism’ ( 1946 ) 


১৬। জয়প্রকাশের ভাষায় মাকর্সবাদ কী নামে পরিচিত ? 

উত্তর : জয়প্রকাশের ভাষায় মার্কসবাদ ‘Science of Society’ নামে পরিচিত ।


১৭। মার্কসবাদ সম্পর্কে জয়প্রকাশের দৃষ্টিকোণের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য লেখ  ।  

উত্তর : মার্কসবাদ সম্পর্কে জয়প্রকাশের দৃষ্টিকোণের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হল — 

( i ) সকল রকম শােষণের অবমান এবং সাম্য, স্বাধীনতা ও সৌভ্রাতৃত্বের আদর্শ মার্কসবাদে বর্তমান ।  

( ii ) মার্কসবাদ বৈজ্ঞানিক সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত তার ভাষায় মার্কসবাদ  ‘Science of Society' অর্থাৎ সমাজের বিজ্ঞান । 

১৮। ‘My Picture is Socialism’ গ্রন্থটি কার লেখা ? গ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয় ? 

উত্তর : ‘My Picture is Socialism’ গ্রন্থটি জয়প্রকাশ নারায়ণ - এর লেখা ।  গ্রন্থটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হয় । 


১৯। জয়প্রকাশ নারায়ণ কি কি সম্মাননা ভূষিত হয়েছিলেন ? কত খ্রিঃ তিনি ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছিলেন ? 

উত্তর : জয়প্রকাশ নারায়ণ ১৯৯৯ সালে ভারতরত্ন পেয়েছিলেন মরণােত্তর । ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে পাবলিক সার্ভিস এর জন্য ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছিলেন ।


২০। ভারত ছাড়াে আন্দোলনের হিরাে নামে কে পরিচিত ছিলেন ? 

উত্তর : ভারত ছাড়াে আন্দোলনের হিরাে নামে পরিচিতি ছিলেন জয়প্রকাশ নারায়ণ ।  

২১। কত খ্রিস্টাব্দে পিপলস সােস্যালিস্ট পার্টি গঠন করেন ? 

উত্তর : ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে পিপলস সােস্যালিস্ট পার্টি গঠন করেন । 


২২। কেন্দ্রে প্রথম অকংগ্রেস সরকার কার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ? 

উত্তর : কেন্দ্রে প্রথম অকংগ্রেস সরকার জয়প্রকাশ নারায়ণ - এর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল । 


২৩। গণতন্ত্রের দুটি সুবিধা লেখ । 

উত্তর : গণতন্ত্রের দুটি সুবিধা হল ( i ) দেশপ্রেম জাগরিত করা ও ( ii ) দায়িত্বশীলতা । 


২৪। জওহরলাল নেহেরুর জন্ম মৃত্যু সাল লেখ ? 

উত্তর : জওহরলাল নেহেরুর জন্ম ১৪ ই নভেম্বর ১৮৮৯ এবং মৃত্যু ২৭ মে ১৯৬৪ ।  


২৫। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর নাম কি ? কত খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি ওই পদে আসীন ছিলেন ? 

উত্তর : স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর নাম পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু । তিনি মৃত্যুর আগের মুহূর্ত পর্যন্ত ( ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দ ) ওই পদে আসীন ছিলেন ।


২৬। কত খ্রিস্টাব্দে জাতীয় কংগ্রেসের লাহাের অধিবেশনে দলের সভাপতি নির্বাচিত হন ? 

উত্তর : ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় কংগ্রেসের লাহাের অধিবেশনে দলের সভাপতি নির্বাচিত হন ।


২৭। জওহরলাল নেহেরুর দুটি উক্তি উল্লেখ করাে । 

উত্তর : ( ১ ) সংস্কৃতি মন এবং আত্মাকে প্রশস্ত করে । ( ২ ) জীবন হল কার্ড খেলার মতাে । যেখানে হাত আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করে কীভাবে আপনি জীবনে এগিয়ে যাবেন , পরিস্থিতির সঙ্গে মােকাবিলা করবেন । ( ৩ ) মানুষের জীবনে ব্যর্থতা তখনই আসে , যখন মানুষ আদর্শ , উদ্দেশ্য ও নীতিগুলি ভুলে যায় । 



২৮। নেহেরুর আত্মজীবনীর নাম কি ? 

উত্তর : নেহেরুর আত্মজীবনীর নাম ‘an Autobiography’ । 


২৯। ‘Discovery of India’ গ্রন্থটি কার রচনা ? 

উত্তর : ‘ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া’গ্রন্থটি জওহরলাল নেহেরুর রচনা । 



৩০। পণ্ডিত নেহেরু কত খ্রিস্টাব্দে ভারতরত্ন পান ? 

উত্তর : পণ্ডিত নেহেরুর ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে ভারতরত্ন উপাধি পান । 


৩১। নেহেরু প্রকাশিত সংবাদপত্রটির নাম কি ? 

উত্তর : নেহেরু প্রকাশিত সংবাদপত্রটির নাম হল ‘ন্যাশনাল হেরাল্ড’ পত্রিকা ( National Herald ) ।




৩২। নেহেরু কতবার নােবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনােনীত হয়েছিলেন ? 

উত্তর : নেহেরু এগারাে বার নােবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনােনীত হয়েছিলেন । 



৩৩। নেহেরু রচিত কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম লেখ । 

উত্তর : নেহেরু রচিত কয়েকটি গ্রন্থের নাম — 

১. একটি আত্ম জীবনী ( an autobiography ) 

২. Discovery of India .